মেনু নির্বাচন করুন

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
ইউপি ভবন উপজেলা থেকে ১৭ কিঃমি দুরাত্ব যাতয়াতের জন্য ইঞ্জিন ভ্যান ও মটর সাইকেল ব্যবহার করা হয় ভ্যানে যাতোয়াত খরজ ৪০ টাকা ও মটর সাইকেলে খরচ ৯০ টাকা।
সুন্দরবন ঢাকা হতে বাস যোগে শ্যামনগর উপজেলা হয়ে মুন্সিগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ড অথবা বুড়িগোয়ালিনির নীললডুমুর হতে ফরেষ্ট অফিস হতে পাস গ্রহন করে নৌকা অথবা ট্রলার যোগে সুন্দববনে গমন।
সাতক্ষীরার দর্শনীয় নলতা শরীফ সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম একটি উপজেলা কালীগঞ্জ। এ উপজেলারই একটি গ্রাম নলতা। নলতা বাস স্ট্যান্ডেই এই মাজার শরীফের অবস্থান। বাংলাদেশ একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম। যুগে যুগে এদেশে জন্ম লাভ করেছে অনেক পীর, মাশায়েখ ও বুজুর্গ ব্যক্তি। ইসলাম প্রচার ও ধর্মের টানে এদেশে আগমন করেছে অনেক ধর্মীয় পুরুষ। যাদের পরিশ্রমে ইসলামের পতাকা উড্ডীন হয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশে সমাজ সংস্কার ও ইসলাম প্রচারের জন্য যে সকল ব্যক্তি তাদের প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন তার মধ্যে খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ অন্যতম। তিনি সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ব্যক্তি। তার ওফাতের পর তার নাম অনুসারে সাতক্ষীরা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে নানানপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তার স্মৃতি ধন্য সাতক্ষীরার নলতা শরীফ বর্তমানে একটি দর্শনীয় স্থান। সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম একটি উপজেলা কালীগঞ্জ। এ উপজেলারই একটি গ্রাম নলতা। শান্ত, শ্যামল ও সৌম্য এ গ্রামটি আজ দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এ গ্রামেই জন্মেছিলেন খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ। বাংলাদেশের অবহেলিত-অশিক্ষিত বাঙালি মুসলমান যুবকদের মধ্যে তিনি শিক্ষা বিস্তারে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে গেছেন। তিনি তার সারাটি জীবন ব্যয় করেছেন মানুষের কল্যাণে। বাংলাদেশের বিখ্যাত আহছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা এই খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ। খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ ১৮৭৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মুন্সী মোহাম্মদ মুফিজ উদ্দিন এবং মায়ের নাম মোছা: আমিনা বেগম। স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়া শেষে আহসান উল্লাহ উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতা যান এবং ১৮৯৫ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শনে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ছিলেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রথম মুসলিম প্রধান শিক্ষক। তিনিই ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি ব্রিটিশ সরকারের অধীনে অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা বিভাগে একজন মুসলমান হিসেবে যোগ দেন এবং সহকারী ডিরেক্টর পদ পর্যন্ত অলঙ্কৃত করেন। এছাড়াও তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনেটর ছিলেন।


Share with :

Facebook Twitter